বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এক টুইট বার্তায় ২০ এপ্রিল জানিয়েছে, করোনা প্রতিরোধে নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর স্থল সীমান্তে পারাপার এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২১ মে পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে সীমান্ত পারাপার বন্ধ থাকলেও অপরিহার্য বাণিজ্য, জরুরি সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, বিমান পরিষেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা, ট্রাকচালক, চিকিৎসা সামগ্রীসহ জরুরি মালামাল পরিবহন অব্যাহত থাকবে।

করোনা মহামারি শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন গড়ে চার লাখ মানুষ চলাচল করত। করোনার কারণে প্রায় এক বছর এই সীমান্ত বন্ধ থাকায় দুই দেশের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের বেশ বিপাকে পড়েছে। এতে অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। কানাডা থেকে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ভ্রমণে মিশিগান আসে। এটি বন্ধ থাকায় মিশিগানের পর্যটন খাতে এরই মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬৭টি স্থল সীমান্ত পারাপার প্রায় এক বছর থেকে বন্ধ রয়েছে। ২১ মার্চ এই সীমান্ত পারাপার বন্ধের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছরের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো তাদের সীমান্ত পারাপার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল।

কানাডা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন