মরদেহের ব্যাগে ২ ঘণ্টা

মিশিগানের সাউথ ফিল্ড সিটির অ্যাটর্নি জিওফ্রে ফিগার এ ঘটনা পূর্ণাঙ্গ তদন্তের কথা জানিয়েছেন।
মিশিগানের সাউথ ফিল্ড সিটির অ্যাটর্নি জিওফ্রে ফিগার এ ঘটনা পূর্ণাঙ্গ তদন্তের কথা জানিয়েছেন।ছবি: টুইটারের সৌজন্যে
বিজ্ঞাপন

এক তরুণীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। কিন্তু বাধ সাধল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগে শ্বাস নিলেন সেই তরুণী! যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের সাউথ ফিল্ড সিটিতে সম্প্রতি ঘটেছে এ ঘটনা।

চিকিৎসকের মৃত ঘোষণা থেকে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগ পর্যন্ত দুই ঘণ্টা মরদেহের ব্যাগে ছিলেন তিমেশা বিউচ্যাম্প নামের ২০ বছর বয়সী এ তরুণী। এ ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে মিশিগানের সাউথফিল্ড সিটির অ্যাটর্নি এ ঘটনার তদন্তের কথা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সাউথ ফিল্ডের অ্যাটর্নি জিওফ্রে ফিগার বলেন, কারও অবহেলায় এই ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তিমেশা বিউচ্যাম্প নামের ওই তরুণী (২০) ফিউনারেল হোমে নেওয়ার আগে অন্তত দুই ঘণ্টা মরদেহের ব্যাগে ছিলেন। তাঁকে ফিউনারেল হোমে নয়, হাসপাতালে নেওয়ার দরকার ছিল।

গত রোববার ফায়ার সার্ভিস ৯১১ নম্বরে একটি ফোন পায়, যাতে বলা হয় এক নারী অচেতন অবস্থায় আছে। সংবাদ সম্মেলনে ফিগার বলেন, তিমেশা সকালে অন্যান্য দিনের মতোই নাশতা করেছিলেন, পোশাক পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু তাঁর হয়তো খিঁচুনি উঠেছিল। তিনি নিশ্বাস নিতে পারছিলেন না। তাঁর ঠোঁটের রংও পরিবর্তন হয়েছিল। তিনি জন্ম থেকেই সেরিব্রাল পালসি রোগে ভুগছিলেন। তিনি তিনবার শ্বাস-প্রশ্বাসের চিকিৎসা নিয়েছিলেন আগে। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর জন্য আধঘণ্টা ধরে চেষ্টা করেছিলেন। অবশ্য তিমেশার বাড়িতে থাকা নানি আগেই বলেছিলেন যে, তাঁর নাতনি মারা যাননি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সাউথফিল্ড ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জোনি মেনিফি বলেন, অনেক চেষ্টার পরও তাঁর মধ্যে প্রাণের স্পন্দন পাওয়া যায়নি। প্রোভিডেন্স হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক, যিনি তিমেশাকে মৃত ঘোষণা করেন, তাঁর সঙ্গেও আলোচনা করেছিল ফায়ার সার্ভিস। তাঁকে মৃত ঘোষণার পর অকল্যান্ড কাউন্টির মেডিকেল এক্সামিনার’স অফিস তাতে স্বাক্ষর করেছিল এবং মরদেহের ছাড়পত্র দিয়েছিল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ওই তরুণীকে মরদেহের ব্যাগে ঢোকানো হয়। বেলা সাড়ে ১১টার কিছু আগে জেমস এইচ কোল হোম তাঁর মরদেহ নিজেদের হেফাজতে নেয়। কিন্তু কর্মীরা যখন ব্যাগ খোলে, তখন বুঝতে পারেন ওই তরুণী আদতে মারা যাননি। ফিগার বলেন, তিনি নিশ্বাস নিচ্ছিলেন, চোখ খোলা ছিল। পরে তাঁরা আবার ফায়ার সার্ভিসকে ফোন করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন