বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্দির প্রতিষ্ঠার পেছনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন কয়েকজন ধর্মীয় ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অশোক কে সাহা। সদস্যসচিব ছিলেন দিলীপ নাথ, ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন দীপক এল কর্মকার, কন্ট্রোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিপিএ অঞ্জন ভট্টাচার্য। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন বিপ্লব কে বণিক, দীপক কে দাশ, গোবিন্দ সি দাশ, গোপাল সি সাহা, গোরাঙ্গ সি দাশ, প্রদীপ কে দাশ, প্রিয়তোষ দে, প্রণবিন্দু চক্রবর্তী, রনজিত সি সাহা, সমর কে রায়, তাপস কে মালো, তাপস সি দে এবং শ্যামলেন্দু কে চক্রবর্তী।

ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করে বর্তমানে মন্দিরের বাড়িটি ঋণ মুক্ত করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও সাধারণ ভক্তদের দেওয়া অর্থের মাধ্যমে ব্যাংকের সব ঋণ শোধ করা হয়। মন্দিরকে তিন তলায় রূপান্তর করার জন্য তৈরি করা হয় একটি নান্দনিক নকশা।

মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসচিব দীলিপ নাথ বলেন, ‘এক সময় জ্যামাইকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এক সঙ্গে পূজা উদ্‌যাপন করতে পারতেন না। মহামায়া মন্দির হওয়ার ফলে প্রতি বছর সবাই এক সঙ্গে পূজা উদ্‌যাপন করতে পারেন।’ যাদের অবদানে মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্দির নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা শ্যামলেন্দু চক্রবর্তী বলেন, ‘হিন্দুদের ধর্মীয় চর্চা এবং সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপনের জন্য মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে ভক্তদের ভালোবাসায় প্রতিষ্ঠানটি আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে আমার বিশ্বাস।’

মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান পরিমল কর্মকার বলেন, ‘অনেক কষ্টে ব্যাংক ঋণ শোধ করা হয়েছে। এখন মন্দিরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং একাডেমিক ভবন চালুর মাধ্যমে ভক্তদের আশার আলো প্রজ্বলিত হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য প্রিয়তোষ দে বলেন, ‘মন্দিরের তিন তলা ভবন নির্মাণ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ভক্তদের সহযোগিতা পেলে আমরা অচিরেই ভবন নির্মাণকাজে হাত দেব।’

উত্তর আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন