চলমান বিক্ষোভ: বাংলাদেশি আমেরিকানদের ভাবনা

বিজ্ঞাপন
default-image

কিছুক্ষণ পরপর মায়ের ঘরে ছেলেটি উঁকি দেয়, আবার চলে যায়। ছেলেটির সন্দেহজনক আচরণে মা জানতে চাইলেন, 'কোনো সমস্যা?' অস্থিরতা নিয়ে ছেলেটি বলল, 'মা! আমি “ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার” শান্তিপূর্ণ মিছিলে যেতে চাই।' দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন মা। বললেন, 'পরিস্থিতি নাজুক, দরকার নেই।' ছেলেটিকে ভীষণ হতাশ মনে হলো। বলল, 'তাহলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শিক্ষা দিলে কেন?' মা অবাক। সন্তানের এমন বিচার-বিবেচনায় তিনি গর্ববোধ করলেও দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন। এই ছেলেটির নাম হামজা আরিয়ান। দশম শ্রেণির ছাত্র। আর সেই মা-টি আমি।

জর্জ ফ্লয়েডের হত্যা পুরো আমেরিকার চিত্র বদলে দিয়েছে। বদলে দিয়েছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কিশোর-তরুণ-প্রাপ্তবয়স্কদের চিন্তাভাবনা। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যা আজকের এই বিক্ষোভের সূত্রপাত মাত্র। মূলত বর্ণ-বৈষম্যহীন নাগরিক ‌অধিকার আদায়ে ব্যর্থ হওয়া কৃষ্ণাঙ্গদের ভেতরে দীর্ঘ বহু বছরে জমা হওয়া ক্ষোভ থেকেই আজকের এই আন্দোলন। লক্ষণীয় যে, আজকের এই মাঠপর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই কিশোর-কিশোরী, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। এই বয়সী বিক্ষোভকারীদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, স্কুল-কলেজ, রেস্টুরেন্ট, পার্ক, শপিংমল, চাকরি ক্ষেত্র—সর্বত্রই তারা বর্ণবৈষম্যের শিকার। আবার ভিন্ন জনগোষ্ঠীর অনেক কিশোর-কিশোরী বলছেন, তারা বর্ণবৈষম্যের শিকার না হলেও লড়াই করছেন কেবল তাদের কৃষ্ণাঙ্গ বন্ধুদের পক্ষে। এখানে তাদের বিশাল একটা আবেগ জড়িত।

আমাদের বাঙালি কমিউনিটিতে এমন অনেক বাবা-মা রয়েছেন, যারা তাদের সন্তানদের মধ্যে পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষা ছাড়াও ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা ও মানবিকতার বীজ বপন করে দিতে পেরেছেন। কিন্তু বর্তমান পারিপার্শ্বিক অবস্থায় সন্তানদের মাঠে নামতে দিচ্ছেন না। দিলেও আতঙ্কে থাকছেন যদি সোশ্যাল ডিস্টেনসিং না মানায় ভিড়ের মিছিল থেকে সন্তানটি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়? কিংবা চলতি পথে যদি লুটপাটকারীদের মধ্যে পড়ে পুলিশের হাতে আটক হয়? তারপরও মা-বাবার দুশ্চিন্তাকে উপেক্ষা করে আমাদের অনেকের সন্তান নামছে মাঠে; বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে আমাদের আফ্রিকান-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। এদের মধ্যে রয়েছে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার বেশ কিছু লেখক, সাংবাদিকদের পরিবার ও সন্তানেরা।

এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার লেখক ও সাংবাদিক মাহবুব রহমানের বড় ছেলে রেজওয়ান। এ ব্যাপারে মাহবুব রহমান বলেন, 'আমেরিকার তরুণ প্রজন্ম চলমান আন্দোলনকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখে। আমার চার সন্তানের নিউইয়র্কে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। বড় ছেলে রেজওয়ান ৩ জুন নগরীর ম্যানহাটন ব্রিজে বিক্ষোভে অংশ নেয়। সে বিশ্বাস করে, এটি একটি ন্যায্য নাগরিক আন্দোলন। এতে সবার সংহতি প্রয়োজন। এ শুধুমাত্র জর্জ ফ্লয়েডের অপমৃত্যুতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এতে পদ্ধতিগত শোষণের অবসান হবে। এ আন্দোলন চালিয়ে নিতে পারলে আমেরিকায় ভিত্তিগত নানা পরিবর্তন আসবে, যা সবার প্রত্যাশিত।'

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার লেখক-সাংবাদিকদের মধ্যে অনেক পরিবারের সদস্যরাই এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চারে জানিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা নিজের অবস্থানের কথা। লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট রওশন হকের দুই মেয়ে। সামিহা (২২) ও আদিবা (১৮)। আদিবার স্কুল বন্ধুদের বেশির ভাগ কৃষ্ণাঙ্গ। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যায় শোকাহত আদিবা বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিতে চেয়েও পুলিশ হয়রানির কথা জেনে যোগ দেননি। বড় মেয়ে সামিহা ব্লুমবার্গে আইটি ইঞ্জিনিয়ার। শারীরিকভাবে মিছিলে যোগ না দিলেও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ব্যানার বানিয়ে প্রতিবাদী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশে শুরু হওয়া ২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনেও ব্যানার বানিয়ে প্রতিবাদীদের পাশে ছিলেন সামিহা। ১৭ বছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে আমেরিকা আসা সামিহা পড়াশোনার পাশাপাশি পকেট খরচের জন্য কাজ শুরু করেন কুইন্সের জ্যামাইকা অ্যাভিনিউতে, যেখানটা প্রায় ৯৫ ভাগ বাসা-বাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য কৃষ্ণাঙ্গদের দখলে। প্রায় প্রতি দিনই কিছু না কিছু ঝামেলার কারণে এলাকায় পুলিশি টহল থাকত। অনেক সময় পুলিশ হাতে করে ছবি নিয়ে দোকানে এসে সামিহাকেও প্রশ্ন করেছে যে, লোকটিকে চেনে কিনা। ভয় পেতেন। খুব ভোরে দোকান খুলে রাতে বন্ধ করা ছিল সামিহার কাজ, তাই শুরুতে মা প্রায়ই গিয়ে মেয়েকে নিয়ে আসতেন। তবে ধীরে ধীরে ওদের সঙ্গে মিশে সামিহা জেনেছে, কৃষ্ণাঙ্গরা খুবই নরম মনের মানুষ। খুবই বিশ্বস্ত। পরের দিনগুলোতে রাত বাসায় ফিরতে আর কোন অসুবিধায় পড়তে হয়নি তাঁকে। সামিহা বলেন, 'প্রতিবাদ শুধু জর্জের জন্য নয়। এই প্রতিবাদ তাদের বুকে জমে থাকা কষ্টের প্রতিবাদ এবং এটি ন্যায্য দাবি।'

লেখক, সাংবাদিক রোকেয়া দীপা বলেন, 'আমার ছেলে এখনো খুব ছোট। তবে আমার বিশ্বাস সে বড় হয়ে আমার মতো চিন্তাধারার হবে এবং সে অবশ্যই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। তবে অন্যের ক্ষতি করে নয়, শান্তিপূর্ণভাবেই হবে তার প্রতিবাদ।'

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে শোকাহত লেখক রোমেনা লেইসের মেয়ে পূর্ণতা অন্যতমা হাসান। তাঁর মতে, 'ফ্লয়েডকে ন্যায়বিচার পাওয়ার বিক্ষোভ মিছিলে তারা প্রায় সার্থক। তবে একজন চাওভিন ডেরেকের জন্য সব পুলিশকে এক রকম ভাবা অনুচিত হবে। পুলিশেরা আমাদের সহায়ক। হাইস্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, পাবলিক পরিবহন রাস্তাঘাট সর্বত্র আমরা পুলিশের জন্যই নিরাপদে থাকি। তবে যারা প্রতিবাদের নামে লুটপাট করছে, তারা আন্দোলনে কালিমা লেপন করছে।' ফোর্ডহেম ইউনিভার্সিটির (লিংকন সেন্টারে) ডিজিটাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইমার্জিং মিডিয়ার শিক্ষার্থী পূর্ণতা বলেন, 'কারফিউ বা সান্ধ্য আইন দিয়ে এ ক্ষেত্রেও কৃষ্ণাঙ্গদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা হচ্ছে। সাদারা ইতিপূর্বে আন্দোলন ভাঙচুর করলেও কারফিউ দেওয়া হয়নি। আইনের প্রয়োগে সমতা দেখানো হচ্ছে না, যা দৃষ্টিকটু।'

লেখক সেলিনা আক্তারের মেয়ে ইমানুয়েল ইশায়ার মতে, 'আমাদের সিস্টেমেই বর্ণবাদ গভীরভাবে প্রোথিত। এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা পুলিশকে অনেক কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং সে কারণে তারা যথাযথ জবাবদিহি করে না। এর পরিবর্তন আনতে হবে।' ইশায়া বলেন, 'প্রতিবাদকারীদের নামে কুৎসা রটাতে লুটপাটের অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী ও গোপন পুলিশ দ্বারা। পুলিশের নির্যাতনে আহত হওয়া বা রাবার বুলেটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। বর্ণবাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য শুধু শ্বেতাঙ্গ নয়, আমাদের নিজস্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে থাকা বৈষম্য সম্পর্কেও সতর্ক হওয়া দরকার।'
লেখক পলি শাহিনার একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে তাওরাত মিম বলেন, 'আমেরিকা জন্মগ্রহণের পর থেকেই বর্ণবাদের হাতে অসংখ্য নিরীহ জীবন হারিয়েছে। এই একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকার বর্ণবাদী মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়নি। পুলিশি বর্বরতা ও জর্জ ফ্লয়েড হত্যা দেখায় যে, বর্ণবাদের ক্রিয়াগুলো এখনো বিদ্যমান। তবে, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশা এখনো রয়েছে। ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও বিশ্বের আরও অনেক দেশ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সমর্থন করেছে। আমরা নির্দিষ্ট কোনো গাত্রবর্ণ নয়, বরং সবার জন্য মৌলিক মানবাধিকারের দাবি জানাচ্ছি।'

কৃষ্ণাঙ্গরা সাদা মানুষদের দ্বারা বছরের পর বছর ধরে বর্ণবাদের মুখোমুখি হচ্ছে বলে জানায় প্রথম আলোর লেখক ড. সজল আশফাকের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে দিমিত্রি সিকদার। দিমিত্রি বলেন, '২০ ডলারের জাল নোট ব্যবহার সন্দেহে একজন কৃষ্ণাঙ্গকে গলায় হাঁটু গেড়ে মেরে ফেলা হবে, এটা অপরাধ। আমি এই প্রতিবাদকে সমর্থন করি; তবে লুটপাটকে নয়।'

কৃষ্ণাঙ্গরা দীর্ঘকাল ধরে সিস্টেমিক বর্ণবাদ ও পুলিশি বর্বরতার শিকার হচ্ছে বলে জানান হান্টার কলেজে অধ্যয়নরত সজল আশফাকের আরেক ছেলে শীর্ষ সিকদার। শীর্ষ বলেন, 'বিক্ষোভকারীদের মধ্যে লুটপাটকারী লোক রয়েছে। তবে পুলিশ যখন গ্রেপ্তার করে তখন প্রতিবাদকারী এবং লুটপাটকারীদের মধ্যে পার্থক্য দেখছে না। অকারণে বিশেষত সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করে তারা আটক করছে। এই পুরো পুলিশ ব্যবস্থাটি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং এটি পরিবর্তন করা দরকার।'

বর্ণবাদ একটি অসুস্থতা বলে মনে করেন সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট ও কলাম লেখক রাজিয়া নাজমির মেয়ে সায়েদা আফরিন। তিনি বলেন, 'এটি শুধু আমেরিকাতেই নয়, বিশ্বজুড়ে কালো ও বাদামি মানুষের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এটি। পুলিশ কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার এখনো পর্যন্ত এর স্বীকৃত বাস্তবতা।' কৃষ্ণাঙ্গদের নৈমিত্তিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সহ্য করতে না পেরে যারা কোভিড-১৯ এর সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি নিয়েছেন, টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট এবং গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন, তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সায়েদা বলেন, 'তাঁরা প্রমাণ করেছেন যে, আমাদের সরকার আগুন না ধরা পর্যন্ত আমাদের পক্ষে কাজ করবে না। আমাদের নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের যে ধারণা, তার পরিবর্তন করতে হবে এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ন্যায়সংগত আচরণ করতে হবে।' পুরো ব্যবস্থার একটি পরিবর্তন এবং সম্পূর্ণ পর্যালোচনা দেখতে চান সায়েদা আফরিন।

দশম শ্রেণিতে পড়া আমার ছেলে হামজা আরিয়ান মনে করে, কৃষ্ণাঙ্গদের আজকের এই বিক্ষোভ শ্বেতাঙ্গবিরোধী বা পুলিশবিরোধী নয়। এটি সিস্টেমেটিক বর্ণবাদের সমস্যা, যা দ্রুত পরিবর্তন করা দরকার।' হামজার মতে, 'প্রতিবাদকারী ও লুটপাটকারীর সঠিক সংজ্ঞা সবার জানা দরকার। এই দুটির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ে মিডিয়া ব্যর্থ। এ কারণে সাধারণ জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমি সহিংসতা পছন্দ করি না। তবে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কণ্ঠ যখন রাষ্ট্রের কান এড়িয়ে যায়, তখন সহিংসতার শুরু হবেই।' হামজা আরও বলে, 'আমি শ্যামবর্ণ। আমার চুল কোঁকড়ানো। আমিও কৃষ্ণাঙ্গ। সো হোয়াট?'

এই আন্দোলনে ভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর সঙ্গে আমাদের কমিউনিটির পরিবারগুলোর সম্পৃক্ততা সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান বর্ণ-বৈষম্য, শ্রেণি-বৈষম্য প্রতিরোধে পুরো আমেরিকায় চলমান বিক্ষোভ ও আবেগী স্লোগানে জড়িত হচ্ছেন অনেক বাঙালি পরিবারের সন্তান। 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার' 'শাট ইট অফ'-সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত বিক্ষোভ মিছিলগুলো।

গত ২৫ মে একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিন দ্বারা জর্জ ফ্লয়েড নামের একজন কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে আমেরিকাজুড়ে শুরু হয় এই বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ থামাতে ১৮০৭ সালে প্রণীত প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশজুড়ে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিউইয়র্কসহ অন্যান্য নগরীতে প্রায় ৭৭ বছর পর কারফিউ জারি করা হয়। যদিও মূল আসামিকে থার্ড ডিগ্রি মামলা থেকে সেকেন্ড ডিগ্রি মামলায় এনে বাকি তিন পুলিশ অফিসারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবু আন্দোলন এখনো পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে। মিনেসোটা থেকে শুরু হয়ে পুরো আমেরিকা ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভে কৃষ্ণাঙ্গদের পাশে ভিনদেশি ও অনেক শ্বেতাঙ্গসহ বাঙালিরাও অংশ নিচ্ছেন। মিনিয়াপোলিসে নিহত জর্জ ফ্লয়েড এখন আমেরিকার বর্ণ-বৈষম্যের আর্তনাদ ও ক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন