বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সরকারের প্রধান জন হরগান জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, সেখানে মৃত্যুর ঘটনা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া পুলিশ বলেছে, চারজন এখনো নিখোঁজ। ভ্যাঙ্কুভারের পূর্ব ও উত্তরের যেসব শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগ পাহাড়ি এলাকার।

এসব শহরে যাতায়াতের সুবিধা তুলনামূলক কম। সেখানকার পরিস্থিতি তুলে ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাদেশিক সরকরের মন্ত্রীরা বলেছেন, সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলো ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে। কিছু শহরে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। পার্শ্ববর্তী প্রদেশ কিংবা যুক্তরাষ্ট্র থেকে সেখানে জ্বালানি আমদানি করা হবে কি না, সে বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে প্রাদেশিক সরকার।

এদিকে অটোয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি প্রস্তুতিবিষয়ক মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার বলেন, বৃষ্টি কমে যাওয়ায় নদীতে পানির প্রবাহ কমে গেছে। তবে পরিস্থিতি এখনো জটিল। এ ছাড়া ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য বিমানবাহিনীর কয়েক হাজার সদস্যকে অটোয়া থেকে সেখানে পাঠানো হচ্ছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত রোববার সেখানে ঝড় আঘাত হানার পর যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন হতে পারে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন