বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৭ মে) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তাঁর স্ত্রী জিল বাইডেন ২০২০ সালে তাঁদের আয়ের পাঁচ দশমিক এক শতাংশ জনকল্যাণমূলক ১০টি সংস্থাকে অনুদান দিয়েছেন। আগের বছর, অর্থাৎ ২০১৯ সালে বাইডেন দম্পতির বার্ষিক আয় ছিল ৯ লাখ ৮৫ হাজার ডলার।

ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা ছাড়ার পর জো বাইডেনের আয় বেড়েছিল। দুই বছরে বাইডেন দম্পতি প্রায় দেড় কোটি ডলার আয় করেছিলেন।

default-image

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পূর্বসূরি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর আয়–ব্যয়ের হিসাব কখনোই প্রকাশ করেননি।

২০১৯ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের কারণে তাঁর বছরে দুই থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের আয় কমেছে বলে তিনি মনে করছেন। যদিও ট্রাম্প তাঁর এ দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের আয়ের তথ্য প্রকাশের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ঐতিহ্য হিসেবে সব সময় প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্পিকারসহ অন্যরা তাঁদের আয়ের তথ্য স্বেচ্ছায় প্রকাশ করে থাকেন। সাম্প্রতিক ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি তাঁর ট্যাক্স–সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।

default-image

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের আয়ের তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও তাঁদের ২০২০ সালের করবিবরণী প্রকাশ করেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং তাঁর স্বামী ডগলাস এমহোফ ২০২০ সালে ১ লাখ ৬৯ হাজার ২২৫ ডলার আয় করেছেন বলে প্রকাশিত কর বিবরণীতে দেখা গেছে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন