ব্যবসায়ী সংগঠনের এই প্রচেষ্টাকে কংগ্রেস রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা সমর্থনের আশ্বাসও দিচ্ছেন। কংগ্রেসের ক্ষুদ্র ব্যবসা কমিটির শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান মিসৌরির রেপ ব্লেইন লুয়েটকেমায়ার বলেন, ‘আমার কাতারের বেশির ভাগ আইনপ্রণেতাই তাঁদের কিছু অতিরিক্ত অর্থের বিরোধিতা করবে না।’
যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারা আবারও নতুন উদ্দীপনার চেক পাবেন কিনা তা এখন নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পাওয়ার ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত।
এ বিষয়ে লুয়েটকেমায়ার বলেন, ‘মহামারির কারণে তাঁরা বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু ত্রাণ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা কেন যেন সর্বশেষ গ্রুপে পরিণত হয়েছেন।’
মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রেস্তোরাঁ শিল্পগুলো। বর্তমানে যদিও রেস্তোরাঁগুলোতে কার্যক্রম বাড়ছে তবে ন্যাশনাল রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন বলছে, মহামারির সময় এই শিল্পটি ২৯৯ বিলিয়ন ডলার আয় হারিয়েছে।
টেক্সাসভিত্তিক অরচার্ড রিচার্ডসনের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যামি লং বলেন, মহামারিতে তাঁর ক্যাটারিং ব্যবসা চালাতে কয়েক লাখ ডলার ঋণ নিতে হয়েছে। অর্থের অভাবে তিনি কর্মীদের সঠিক পুনর্বাসন করতে পারেননি। তাই স্বতন্ত্র রেস্তোরাঁ জোটে যোগ দিয়ে তিনি কংগ্রেসকে অনুদান আইন পাস করার জন্য চাপ দিচ্ছেন।
অ্যামি লং বলেন, ‘অতিরিক্ত সহায়তা ছাড়াই আমরা বর্তমান ব্যবসা চালিয়ে যেতে সক্ষম হব না। এভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।’
গত মাসে এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে এবং কংগ্রেসকে ব্যবসায়ীদের জন্য আরও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি নতুন লবিং জোট গঠিত হয়েছে। এর মধ্য রয়েছে আমেরিকান রেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড অ্যাট্রাকশন, প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশন ও আমেরিকান হর্স কাউন্সিলসহ মোট ১৩টি শক্তিশালী ব্যবসায়ী সংগঠন।
লবিস্টরা মনে করেন, আইনপ্রণেতাদের বিষয়টি বোঝানো একটি চ্যালেঞ্জ হবে। কিন্তু তাঁরা প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।